করোনা ভাইরাস

করোনাতে বাসায় রাখতে হবে যেসব যন্ত্র

করোনাতে বাসার যন্ত্রপাতি

বিগত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার খুব মারাত্নক প্রভাব পড়ছে সারা পৃথিবীতে। বর্তমানে ভারতসহ নানা দেশে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। তাই এমন পরিস্থিতিতে সবাইকে খুব ভালো ভাবে সর্তক থাকতে হবে।

যেকোন সংক্রামক ব্যধি যেহেতু মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় তাই শুধু নিজের খেয়াল রাখলেই চলবে না। সাথে সাথে পরিবার, প্রিয়জন, আত্নীয়স্বজন, প্রতিবেশি সকলেরই খেয়াল রাখতে হবে।

আরো পড়ুনঃ করোনাকালীন সময়ে বাইরে যাওয়ার সময় যা যা মাথায় রাখতে হবে

আশেপাশের মানুষেরা সবাই কেমন আছে তার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। নিজেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে সাথে সাথে পরিবারের সকলকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এসব কিছু মাথায় রেখে আমাদেরকে বাড়িতেই কিছু প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

১। এই করোনা মহামারিতে সবার বাসায় প্রর্যাপ্ত পরিমানে মাস্ক রাখতে হবে। কাপড় ও সার্জিক্যাল মাস্ক উভয় প্রকারই রাখতে হবে। বাসা থেকে বাইরে বের হলে দুইটা মাস্ক যেমন একটা সার্জিক্যাল, অন্যটা কাপড়ের ব্যবহার করা যেতে পারে।

আবার দুই লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। অর্থাৎ এসময় যেভাবেই হোক সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সবসময় বাইরে বের হলে সর্তকতা মেনে চলতে হবে।

আরো পড়ুনঃ শরীরের জন্য ভিটামিন ডি

২। করোনাকালীন এই সময়ে আমাদের বাসায় সবসময়ই থার্মোমিটার রাখতে হবে। দৈনিক একবার হলেও বাসার সবার তাপমাত্রা পরীক্ষা করে দেখা উচিত।

তাছাড়া কেউ যদি কোন সময় শরীরে জ্বর, সর্দি, কাশি, ক্লান্তি ভাব অনুভব করে তাহলে সাথে সাথেই তার তাপমাত্রা পরীক্ষা করে দেখা উচিত।

তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্যও বেশি হয় তাহলেও তাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসক যা পরামর্শ দিবেন সেই অনুযায়ী পথ্য গ্রহণ করতে হবে।

পালস মিটার

আরো পড়ুনঃ করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

আরেকটি কথা সবসময় মনে রাখতে হবে, এইসময় সব জ্বরই করোনা বলে বিবেচিত হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত এটি অন্য কোন রোগ বলে প্রমাণিত হবে।

৩। আরেকটি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পালস আক্সিমিটার। মূলত যারা বাড়ি থেকে করোনার চিকিৎসা নিচ্ছে বা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে।

কারো পালস যদি ৯৩% এর নিচে নেমে আসে তাহলে তাকে অবশ্যই অতি জরুরি হাসপাতালে বা কোভিড সেন্টারে নিয়ে যেতে হবে।

তাছাড়া বাড়িতে যারা চিকিৎসা নিচ্ছে তাদের শরীরের তাপমাত্রা ও অক্সিজেনের মান পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ শিশুদের করোনা থেকে মুক্ত রাখতে কি করবেন

৪। যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে তাদের ঘরের মাঝেই পাচ ছয় মিনিট হাটার পরীক্ষা করতে হবে। ঘরের মাঝে হাটার আগে ও পরে অক্সিজেনের মাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। হাটার পর অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে তখনই রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

করোনার এই সময়ে আমাদেরকে এসব বিষয় মাথায় রেখে চলতে হবে এবং এসব যন্ত্রপাতি বাসায় রাখতে হবে সবসময়।

আরো পড়ুনঃ করোনায় নিমপাতা কেন খাবেন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Content is protected !!

Adblock Detected

Please turn off your Adblocker.