অন্যান্যরোগতত্ত্ব

জ্বর হলে করণীয়

জ্বর হলে করণীয়

শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থা থেকে বৃদ্ধি পেলে তাকে জ্বর বলে। সুস্থ ব্যক্তির দেহের তাপমাত্রা থাকে ৯৮.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট। জ্বর হলে এই তাপমাত্রা বেড়ে ১০২ ডিগ্রী- ১০৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। দেহে তাপ উৎপাদন ও তাপ অপসারণ এই দুই ব্যবস্থার সমতা নষ্ট হয়ে জ্বরের উৎপত্তি হয়। আমরা আজ জানবো জ্বর হলে কি করণীয়।

সকল প্রকার জ্বরকে দুইভাগে ভাগ করা যায়ঃ

১। স্বল্প মেয়াদী জ্বরঃ সর্দিজ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড ইত্যাদি। এদের মেয়াদ স্বল্পকালের।

২। দীর্ঘমেয়াদী জ্বরঃ যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়া। এই সকল রোগে আক্রান্ত হলে বাতসরাধিক জ্বর থাকতে পারে।

আরো পড়ুনঃ জন্ডিসে আক্রান্ত হলে খাদ্যব্যবস্থা জেনে নিতে পারে

জ্বর অবস্থায় বিপাক ক্রিয়াঃ

১। দেহের উত্তাপ বৃদ্ধি পেলে বিপাকের হারও বৃদ্ধি পায়। প্রতি ১ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপ বৃদ্ধির জন্য বিপাকের হার শতকরা ৭ ভাগ বেড়ে যায়।

২। জ্বর হলে বিশেষ করে টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি জ্বরে প্রোটিনের বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এই অবস্থায় অতিরিক্ত ইউরিয়া উৎপন্ন হওয়ায় কিডনীর কাজও বেড়ে যায়।

৩। জ্বর হলে শরীরে সঞ্চিত শর্করা (গ্লাইকোজেন) খরচ হতে থাকে। শর্করা নিঃশেষ হবার পর শরীরের মেদ বা চর্বি খরচ হতে আরম্ভ করে। এতে করে অম্লাধিক্য হবার আশঙ্কা দেখা দেয়।

৪। জ্বর হলে শরীর থেকে প্রচুর পানি ঘাম ও প্রসাবরুপে বের হয়ে যায়। এর সাথে প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবণ, বিশেষ করে সোডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবীভূত অবস্থায় নির্গত হয়।

স্বল্প মেয়াদী জ্বরঃ স্বল্প মেয়াদী জ্বরের স্থায়িত্বকাল অল্প। কিন্তু এই ধরনের জ্বরের তীব্রতা বেশী হওয়ায় দেহের ক্ষয় ও বেশী হয়। এই জ্বর যতদিন স্থায়িত্ব হবে বা তাপমাত্রা যত বেশী হবে দেহের প্রোটিনের ক্ষয় ও তত বেশী হবে।

আরো দেখুনঃ লিভার সিরোসিসের খাদ্যব্যবস্থা জেনে নিন

পথ্যাদিঃ জ্বরের মেয়াদ, তীব্রতা এবং অন্যান্য লক্ষণের উপর নির্ভর করে পথ্যাদি প্রস্তুত করতে হয়। দেহের ক্ষয়পূরণের জন্য বাড়তি ক্যালরি এবং প্রোটীন অবশ্যই দিতে হবে। তবে বেশী জ্বরের সময় খাদ্যের পরিপাক বিঘ্নিত হয় বলে, এই ধরনের প্রবল জ্বরে তাপমাত্রা কিছুটা কমা পর্যন্ত অপেক্ষা করে পথ্যাদি দিলে ভালো হয়।

পথ্যাদি প্রস্তুত করতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলি সম্পর্কে অবহিত হওয়া প্রয়োজন।

১। পরিপাক ক্ষমতাঃ জ্বর হলে পরিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হয়। সহজে পরিপাক ও বিশোষণের জন্য সহজপাচ্য খাদ্যদ্রব্য নির্বাচন করতে হয়। প্রথম অবস্থায় তরল ও আধাতরলীকৃত খাদ্যই জ্বরের জন্য উপযুক্ত।

। ক্যালরিঃ জ্বর হলে দেহে ক্যালরির চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তবে বেশী জ্বরের মধ্যে অধিক ক্যালরির খাদ্য দেওয়া ঠিক নয়। জ্বর কমে আসলে বারেবারে অল্প পরিমাণে সহজপাচ্য খাদ্যের মাধ্যমে দেহে ক্যালরির অভাব পূরণ করতে হয়।

জ্বর হলে সব রকমের খাদ্য উপাদানের চাহিদাই বেড়ে যায়। অথচ এই সময়ে রোগীর পরিপাক ক্ষমতা কমে যায়। এই কারণে অল্প অল্প করে সহজপাচ্য, তরল বা আধা তরল খাদ্য ২/৩ ঘণ্টা পর পর দিতে হয়। এতে করে পরিপাক যন্ত্রের উপর চাপের সৃষ্টি হয় না। তীব্র জ্বরে অধিক ক্যালরি বিশিষ্ট তরল খাদ্য দিতে হয়। রোগী যখন আরোগ্য লাভ করতে থাকে তখন তরল খাদ্যের বদলে নরম খাদ্য দিতে হয় এবং ধীরে ধীরে খাদ্যের ঘনত্ব এবং শক্তিমূল্য বাড়িয়ে পরিবারের সাধারণ খাদ্যে ফিরিয়ে আনতে হয়। স্বল্পমেয়াদী জ্বরে যেসকল খাদ্যদ্রব্য দ্বারা খাদ্য প্রস্তুত করা যেতে পারে সেগুলোর উল্লেখ করা হলোঃ

১। ফলের রস

২। গ্লুকোজ

৩। দুধ

৪। ননীহীন দুধের গুড়া

৫। এগনপগ

৬। ডিম

৭। নরম ভাত চটকানো

৮। আলু সিদ্ধ চটকানো

৯। বার্লি

১০। পাউরুটির নরম অংশ ভিজানো

শক্ত ফল ছাড়া অন্যান্য সকল খাদ্যই টাইফয়েড রোগীর পথ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করা যেতে পারে। টাইফয়েড রোগীর আহার্য এমন নরম ও মিহি হতে হবে যেন খাড্যদ্রবের পরিপাকে শেষে অবাঞ্চনীয় তলানী বা অবশেষ না থাকে।

আরো পড়ুনঃ ডায়রিয়া হলে হতাশ না হয়ে চিকিৎসা জানুন

যেসকল খাদ্য বর্জন করে চলতে হয় সেগুলো উল্লেখ করা হলোঃ

১। আটার রুটি

২। বিস্কুট

৩। মোটা লাল চালের ভাত

৪। শক্ত পনীর

৫। মশলা

৬। কলা ছাড়া অন্যান্য আস্ত ফল

৭। বাদাম

৮। কেক

৯। পিঠা

১০। ভাজা খাদ্যদ্রব্য

১১। মাংস

১২। শাকসবজি

৩। প্রোটিনঃ দেহের ক্ষয়পূরণের জন্য সহজপাচ্য ও উত্তম মানের প্রোটিনযুক্ত খাদ্য যেমনঃ ডিম, দুধ ইত্যাদি রোগীকে পথ্য হিসাবে দিতে হয়। সম্ভব হলে দৈনিক ১০০-১৫০ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন দেওয়া উচিত।

৪। শর্করাঃ এই সময় প্রচুর পরিমাণে শর্করা জাতীয় খাদ্য দেওয়া উচিত কারণ শর্করা সহজেই দেহে শক্তি উৎপাদন করতে পারে। মধু, চিনি, গুড়, নরম ভাত, পাউরুটি ও গ্লুকোজ শর্করা জাতীয় খাদ্য। এগুলি জ্বরের রোগীর দেহে দ্রুত গ্লাইকোজেনের ঘাটতি পুরণ করে এবং কিটোসিসের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। প্রোটিন রক্ষক ভূমিকার জন্য এই সময় শর্করাজাতীয় খাদ্য বিশেষভাবে সমাদৃত।

৫। স্নেহ বা চর্বিঃ জ্বরের রোগীকে বেশী চর্বিযুক্ত খাদ্য দেওয়া উচিত নয়। কারণ চর্বি পরিপাক করা কষ্টকর। তবে যেহেতু স্নেহজাতীয় খাদ্য ঘনীভূত ক্যালরির উৎস সেহেতু সহজপাচ্য স্নেহজাতীয় খাদ্য যেমন মাখন। সর, ডিমের কুসুম ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে।

৬। ভিটামিনঃ জ্বর হলে দেহে ভিটামিনের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রোগীকে দেওয়া যেতে পারে।

৭। খনিজ লবণ ও পানিঃ আগেই বলা হয়েছে জ্বর হলে দেহ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি চলে যায়। নানাধরনের পানীয়, স্যুপ ইত্যাদি জলীয় খাদ্যের মাধ্যমে ৩ থেকে ৫ সের পর্যন্ত পানি প্রত্যহ গ্রহণ করা দরকার, সেই সাথে যথেষ্ট লবণও গ্রহণ করা উচিত।

জ্বরে ভুগছে

টাইফয়েড রোগীর পথ্যের নমুনাঃ বেশি জ্বরের মধ্যে ( ক্যালরি ২৭০০ )

সকাল ৬ টায়ঃ দুধ বার্লি ও চিনি অথবা গ্লুকোজ মিশানো-২ কাপ

সকাল ৮ টায়ঃ ফলের রস( ছাকা ও চিনি অথবা গ্লুকোজ মিশানো )-১গ্লাস

বেলা ১০ টায়ঃ দুধ- বার্লি , চিনি অথবা ল=গ্লুকোজ মিশানো- ২ কাপ

বেলা ১২ টায়ঃ ফলের রস ( গ্লুকোজ অথবা চিনি মিশানো )- ১ গ্লাস

বেলা ২ টায়ঃ দুধ- বার্লি ( চিনি অথবা গ্লুকোজ মিশানো )- ২ কাপ

বেলা ৪ টায়ঃ ফলের রস ( চিনি অথবা গ্লুকোজ মিশানো )- ১ গ্লাস.

বিকাল ৬টায়ঃ দুধ বার্লি ( পূর্বের মতো )- ২ কাপ

রাত ৮ টায় ও ১০ টায়ঃ দুধ বার্লি ( পূর্বের মতো )

আরো দেখুনঃ আর্থ্রাইটিসে ভুগছেন? জেনে নিন সমাধান

টাইফয়েড রোগীর জ্বর কমতে থাকার সময়ঃ

ক্যালরি-৩০০০ কিঃক্যাঃ

প্রোটিন-৫০ গ্রাম

ভোর ৬ টায়ঃ দুধ ( চিনি যোগে )- ১কাপ

সকালের নাশতায়ঃ

পাউরুটির সাদা অংশ- ৩ টুকরা

জ্যাম বা জেলি

দুধ ও ডিমের পুডিং- ১ পরিবেশন

দুধ- ১ কাপ

কলা – ১ টা

বেলা ১১ টায়ঃ ফলের রস- ১গ্লাস

দুপুর ১ টায়ঃ ডালের পানি বা মুরগীর বাচ্চার স্যুপ

সাদা চালের নরম ভাত

দুধ

চিনি

বিকাল ৩ টায়ঃ ফলের রস- ১ গ্লাস

বিকাল ৫ টায়ঃ বিস্কুট- ১টা

দুধ- ১ কাপ

রাতেঃ পাউরুটির সাদা অংশ, দুধ, চিনি

দীর্ঘমেয়াদী জ্বরঃ যদি চিকিৎসা সত্ত্বেও ৭/৮ দিনে জ্বর আরোগ্য না হয় তাহলে এই দীর্ঘমেয়াদী জ্বরের জন্য পৃথকভাবে পথ্য পরিকল্পনা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদী জ্বরের মধ্যে ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মার জীবাণুঘটিত জ্বর বিশেষাভবে উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে ম্যালেরিয়া জ্বর খুব কম দেখা যায়। যক্ষ্মা রোগের জ্বর খুব দীর্ঘদিন স্থায়ি হয়। এতে শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি বৃদ্ধি পায় না তবে সাথে কাশি ও অন্যান্য উপসর্গ থাকে। বর্তমানে যক্ষ্মা রোগ আগের মতো দুরারোগ্য না হলেও এই রোগ সারতে অনেক দিন দেরি লাগে। এই সময়কালে স্তকর্তার সাথে পথ্যাদি পরিকল্পনা করতে হয়। দেহের ক্ষয় পূরণের জন্য প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালরির প্রয়োজন হয়। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় পরিপাক তন্ত্র ও খুব দূর্বল থাকে।

আরো পড়ুনঃ গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাসট্রাইটিস রোগের উপশম

দীর্ঘমেয়াদী জ্বরের পথ্যাদি প্রস্তুত করার সময় নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ মনে রাখতে হয়।

১। ক্যালরিঃ দীর্ঘমেয়াদী জ্বরে তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে না এবং তীব্র জ্বরের মতো বিপাক হার ও অত বেশি হয় না। দেহের স্বাভাবিক ওজন ঠিক রাখতে হলে প্রত্যেকদন ২৫০০-৩০০০ কিলোক্যালরি প্রয়োজন হয়। উচতা ও বয়স অনুসারে যে ওজন কাম্য রোগীর ওজন তার কাছাকাছি থাকতে হবে। অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করে আবার যেন ওজনাধিক্য না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

২। প্রোটিনঃ সাধারণ সুস্থব্যক্তি অপেক্ষা যক্ষ্মা রোগীর প্রোটিনের চাহিদা বেশি। পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির জন্য গড়পড়তা দৈনিক ৭৫-১০০ গ্রাম প্রোটিনের দরকার।

৩। খনিজ লবণঃ যক্ষ্মা রোগীর আহার্যে ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফুস্ফুসের ক্ষত সম্পূর্ণ সারতে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন। যক্ষ্মা রোগীর মল, মূত্র ও খাদ্য পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, দেহে ক্যালসিয়ামের প্রবেশ ও নির্গমনের হার সঠিক রাখতে হলে ক্যালসিয়াম গ্রহণের মাত্রা বাড়ানো প্রয়োজন। প্রত্যেকদিন ১ সের দুধ পান করলে প্রয়োজনীয় ক্যলসিয়াম পাওয়া যাবে। রক্ত গঠনের জন্য লোহার দরকার। যেসমস্ত রোগীর রক্ত ক্ষরণ হয় তাদের আহার্যে প্রচুর পরিমাণে লোহা থাকা দরকার।

৪। ভিটামিনঃ যক্ষ্মা হলে ভিটামিন এ-র প্রয়োজন বৃদ্ধি পায়। উদ্ভিদজাত উৎস ক্যারোটিনের ভিটামিন- এতে রূপান্তরিত হবার ক্ষমতা দেহে এ সময় কমে যায়। এই কারণে প্রচুর ভিটামিন এ যুক্ত খাদ্য যথা মাখন, কডলিভার তেল, কলিজা ইত্যাদি দিয়ে পথ্য প্রস্তুত করতে হয়। বেশি ক্যালসিয়াম শোষণ ও মেটাবলিজমের জন্য যক্ষ্মা রোগীর ভিটামিন ডি-র চাহিদা ও বেড়ে যায়। এসময় প্রচুর ভিটামিন-সি ও রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।

পথ্যঃ যক্ষ্মা রোগীর খাদ্যে অনীহা ও অরুচি থাকতে পারে। সেই জন্য খাদ্য নির্বাচনের সময় রুচিকর ও রসনা তৃপ্তিকর খাদ্যবস্তু সংগ্রহ করতে হয়। এসময় দৈনিক আহার্যে ৩০০০ কিলোক্যালরি শক্তি ও ১০০ গ্রাম প্রোটিনের ব্যবস্থা করতে পারলে ভালো হয়। এক সাথে অধিক পরিমাণে খাদ্য খাওয়া সম্ভব নয় বলে দিনে ৫/৬ বার অল্প অল্প করে খাওয়া ভালো।

যক্ষ্মা রোগীর একদিনের আহার্যের নমুনা দেওয়া হলোঃ

সকালের নাস্তায়ঃ

কমলার রস- ১কাপ

মুড়ি- ১কাপ

দুধ- ১কাপ

চিনি- ২ চা চামচ

ডিম- ২ টা

টোস্ট- ১ টা

মাখন- ২ চামচ

জেলী- ১ চামচ

চা বা কফি

বেলা ১০ টায়- দুধ ১ কাপ

দুপুরের আহারঃ

ভাত- ১২৫ গ্রাম চালের

মাছ বা মাংস- ৫৭ গ্রাম

সবুজ ও হ্লুদ বর্ণের শাক সবজি

আলু- ৪ টি

ঘি- ১ চা চামচ

ফল – ১টি

বিকালের নাস্তায়ঃ ফলের রস, বিস্কুট

রাতেঃ

রুটি বা ভাত- ১২৫ গ্রাম খাদ্যশস্যের

আলু- ৪টি

শাকসবজি- ১ কাপ

মাছ- মাংস -৮৫ গ্রাম

পুডিং- ১কাপ

রাতে ঘুমাবার আগে- হরলিক্স, ওভালটিন বা দুধ- ১ কাপ

স্যান্ডউইচ বা বিস্কুট- ১টি

অনেকে মনে করেন, দামী খাদ্যবস্তু দিয়ে যক্ষ্মা রোগীর পথ্য প্রস্তুত করা একান্তই প্রয়োজন। কিন্তু অল্প খরচেও প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করা যেতে পারে। তার জন্য দরকার সুলভ খাদ্যবস্তুর পুষ্টিমান সম্পর্কে জানা। যক্ষ্মা রোগীর জন্য প্রথম করণীয় হলো দীর্ঘদিন ও নিয়মিত ওষুধ খাইয়ে যাওয়া। এসব ওষুধ বেশ দামী এবং প্রায় বছর খানিক খেতে হয়। খাদ্যের পিছনের বেশি খরচ করে ওষুধের ব্যাপারে গাফিলতি না করা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

দেখুনঃ কোলাইটিসের প্রতিকার

Related Articles

Back to top button
error: Content is protected !!

Adblock Detected

Please turn off your Adblocker.