ত্বকের যত্নরূপচর্চা

কি কি খাবার ত্বক উজ্জ্বল করে ?

কি খাবার খেলে ত্বক উজ্জ্বল হবে

বর্তমানে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা বদলে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। পূর্বে মনে করা হতো শুধু ফর্সা চেহারা আর এক গোছা চুল থাকলেই মানুষ সুন্দর হয়ে যায়। কিন্তু বর্তমানে আর তেমন ভাবা হয়না। কিন্তু মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক সবসময়ই মানুষ কদর পায়।

গায়ের রং এখন আর সৌন্দর্যের মূখ্য উপাদান নয়। মুখের উজ্জ্বলতা আমাদের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি আমাদের আত্নবিশ্বাস ও বৃদ্ধি করে। প্রাকৃতিক উপায়ে যদি ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখা যায় তাহলে আর কৃত্রিম উপাদান কেন ব্যবহার করবো? ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে খাবার একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কি কি খাবার মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে আমরা এখন সে সম্পর্কে জানবো। রমজানে ত্বক ও চুলের যত্ন

। বেসন- দুধঃ

দুধে প্রচুর পরিমাণে ল্যাক্টিক এসিড থাকে। ল্যাক্টিক এসিড ত্বকের পুষ্টির জন্য খুব ভালো কাজ করে। দুধ মুখে মাখলে ত্বক অনেক নরম হয়। তাই আমরা মুখে একটু দুধের সাথে বেসন মিশিয়ে মাখলে মুখে জমে থাকা ময়লা দূর হয়ে যায়।

। আলুঃ

আলুর রস মুখে মাখলে ত্বকে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা তৈরী হয়। ত্বক অনেক সতেজ থাকে। রাতে ঘুমানোর সময়ে যদি আলুর রস মেখে ঘুমানো যায় তাহলে সারাদিন ত্বক অনেক সতেজ থাকে। সারারাত আলুর রস মুখে মেখে সকালে উঠে ধুয়ে ফেলতে হয়। গাজরে হো রুপচর্চা

৩। অলিভ অয়েলঃ

অলিভ অয়েল ত্বকের ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে। সূর্যাস্তের পরে বাইরে গেলে মুখে সামান্য অলিভ অয়েল মেখে নেওয়া যেতে পারে। নাইট ক্রিম হিসাবেও অলিভ অয়েল মুখে লাগানো যেতে পারে। মেকআপ ধুতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। কফি ও নারকেল তেলঃ

কফি ও নারকেল তেলের মিশ্রণ দেহে ও ত্বকে স্ক্রাব এর মতো কাজ করে। ঘনঘন এই স্ক্রাব ব্যবহার করা যাবে না এবং চোখের পাশে স্ক্রাব করা যাবে না। সপ্তাহে দুই বার কফি ও নারকেল তেলের মিশ্রণ বা আমন্ড অয়েলের মিশ্রণ দিয়ে স্ক্রাব করলে ত্বকের ডেড সেল দূর হয়ে যায়।

৫। দইঃ

ড্রাই বা শুষ্ক ত্বকের জন্য দই খুবই কার্যকরী একটা উপাদান। দইয়ের সাথে আরো কিছু উপাদান মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বক একদ্ম সতেজ হয়ে যায়। দইয়ের সাথে মধু, বেসন ও হলুদ একসাথে মিশিয়ে ১০-২০ মিনিট মুখে মাখলে ত্বক অনেক পরিষ্কার হয়ে যায়।

৬। টমেটোঃ

টমেটো মুখের ডার্ক স্পট কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন মুখে টমেটো মাখলে মুখের মৃত কোষ দূর হয়ে যায়।

৭। গ্রিন টিঃ

শরীর হাইড্রেটেড রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি ও গ্রিন টি পান করা উচিত। তাহলে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় থাকবে ও ত্বক সতেজ থাকবে।

৮। মধুঃ

সেনসিটিভ ত্বকের জন্য মধু খুব ভালো কাজ করে। প্রায় প্রতিটি কসমেটিকস প্রোডাক্টে মধু ব্যবহার করা হয়ে থাকে। দারুচিনি ও মধু একসাথে মিশিয়ে মুখে মাখলে মুখের দাগ দূর হয়ে যায়। ত্বক হাইড্রেটেড রাখতে মধুর কোন বিকল্প নেই।

৯। পেপেঃ

পেপেতে আলফা হাইড্রক্সি এসিড পাওয়া যায়। মুখে মেছতার দাগ হলে পেপে ব্যবহার করা যেতে পারে। পেপে পিগমেন্টেশন দূর করতে সাহায্য করে। পেপে ব্লেন্ড করে নিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে ২০ মিনিট লাগিয়ে তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

আরো পড়ুনঃ ঈদের আগে ঘরোয়া ফেসিয়াল

ডার্ক সার্কেল দূর করার উপায়

রূপচর্চায় কলার ব্যবহার

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Content is protected !!

Adblock Detected

Please turn off your Adblocker.