Featuredশিশুশিশুর ব্রেন ডেভলাপমেন্ট

শিশুকে যেভাবে ঘরের কাজ শেখাতে হবে

শিশুকে যেভাবে ঘরের কাজ শেখাতে হবে

একটি শিশু বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে তাকে ঘরের বিভিন্ন কাজ শেখানো উচিত। সংসারের বিভিন্ন কাজে মা, বাবাকে সাহায্য করার অভ্যাস গড়ে তুললে একটি শিশু আস্তে আস্তে স্বাবলম্বী ও স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। তাই শিশুকে বাড়ির যেকোন কাজে উতসাহিত করা উচিত।

মায়ের দুধ পানের উপকারিতা

শিশুকে যেভাবে ঘরের কাজ শেখানো উচিত-

১। শিশুকে যেকোন পরিকল্পনার যোগদান করাতে হবে। যেমন ধরা যায় পিকনিকে কোথাও যাচ্ছেন সেটা নিয়ে শিশুর সাথে এবং পরিবারের সকলের সাথে মতামত বিনিময় করতে পারেন। ব্যাগ গোছানো বা জামা কাপড় নেওয়া এবং ভাজ করার ব্যাপারেও শিশুকে সামিল করতে পারেন। তাহলে শিশু ধীরে ধীরে ঘরের কাজ শিখতে শুরু করবে।

শিশুর পরিপূরক খাদ্য

২। শিশুকে একদম ছোট বয়স থেকেই কাজ শেখাতে হবে। শিশুর নিজের বিছানা বা পড়ার টেবিল গোছানোর দায়িত্ব তার নিজের এটা সবসময় তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। শিশুরা কোন কাজ করতে চাইলে বা করলে তাতে প্রশংসা করতে হবে। সপ্তাহে যেকোন একদিন শিশুকে কোন নির্দিষ্ট একটা কাজ করতে দিতে হবে। শিশুকে বুঝিয়ে দিতে হবে এই বাড়িটা তার। তাই বাড়িটা সুন্দর করে গুছিয়ে রাখার দায়িত্ব তার উপর ও নির্ভর করে। শিশু প্রথম প্রথম কোন কাজ করতে চাইবে না। তখন তাকে বকাঝকা করা যাবে না। তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে। নিজেরা শিশুর সামনে কাজ করতে হবে। শিশুকে দেখিয়ে দিতে হবে কোন কাজটা কিভাবে করতে হয়। তাহলে সে শিখতে পারবে কিভাবে কোন কাজ করতে হবে।

শিশুদের মাড়ি ও দাঁতের যত্নে যেসব খাবার খাওয়া যাবে?

৩। শিশুকে বয়স অনুযায়ী তার কাজের দায়িত্ব দিতে হবে। ২-৩ বছর বয়সী শিশুকে খেলার পরে তার খেলনা গুছিয়ে রাখার দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে তার খেলনা কিভাবে গুছিয়ে রাখা যায় সেটাও একটা মজার খেলা হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। এতে শিশুর নতুন কোন কাজ শেখার প্রতি আগ্রহ জন্ম নিবে। এছাড়া শিশুকে খাওয়ার পরে প্লেট বেসিনে রাখা, টেবিলে পানি পড়লে মুছে রাখার কাজ শেখাতে হবে। তাহলে শিশুর মাঝে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি জন্ম নিবে।

৬-৮ বছর বয়সী শিশুদেরকে ঘুম থেকে উঠে নিজের বিছানা গুছানো, আলমারী গুছানো এবং বাড়ির বয়স্কদের জন্য চা কফি দিয়ে আসা, কলিংবেল বাজলে খুলে দেওয়া এসব কাজের দায়িত্ব দিতে হবে।

৪। শিশুকে ছোট ভাইবোনদের দায়িত্ব নিতে হবে। যদি একাধিক সন্তান থাকে তাহলে বড় শিশুকে ছোট শিশুর দায়িত্ব নিতে হবে। ছোট ভাই বোনকে ঘুম পাড়ানো, সময়মতো ঘুম থেকে তোলা, তাদের সাথে খেলা করা ইত্যাদি কাজে মা, বাবাকে সাহায্য করা শেখাতে হবে। আরো একটু বড় হলে ছোট ভাই বোনকে হোমওয়ার্কেও সাহায্য করতে হবে। এতে করে শিশুদের মধ্যে দায়িত্ববোধ জন্ম নিবে। পাশাপাশি ভাইবোনের সম্পর্ক ও মজবুত হবে।

গর্ভবতী অবস্থায় পান করা যাবে না যেসব পানীয়।

৫। শিশুকে টিমওয়ার্ক শিখাতে হবে। একসাথে কাজ করার যে মজা সেটা ছোট থেকেই শিশুকে শেখাতে হবে। গাড়ি পরিষ্কার করা থেকে নিজের বাগান পরিষ্কার করা সবকিছুই শিশুকে স্বপরিবারে একসাথে করে শেখাতে হবে। তাহলে শিশু কাজ করার পদ্ধতি শিখতে পারবে এবং সহযোগিতা ও শিখতে পারবে।

আরো পড়ুনঃ চকলেট খাচ্ছেন? না কি খাচ্ছেন না? জানুন চকলেটের উপকারিতা ও অপকারিতা

শিশুদের খাওয়ানোর নিয়ম



Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Content is protected !!

Adblock Detected

Please turn off your Adblocker.